ভূমিকা এবং পটভূমি:

বিশ্বে ঘনবসতিপূর্ণ দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম যার জনসংখ্যা প্রায় ১৬০ মিলিয়ন। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দেশটি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সম্মুখিন হচ্ছে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা প্রাপ্তির পর একটি নতুন রাষ্ট্র হিসেবে দেশটি মারাত্মক খাদ্য সংকটের সম্মুখিন হয়। আধুনিক ও উন্নত শিল্প কারখানা ও প্রতিষ্ঠানের অভাব ছিল তখন আমাদের উন্নতির সবচেয়ে বড় অমত্মরায়। এছাড়াও আমাদের শিক্ষার হারও ছিল অতি নিম্ন।

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারিভাবে নানামূখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হযেছে। এসব উদ্যোগ সত্ত্বেও ৩০ শতাংশের বেশী লোক দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করছে। তাদের অধিকাংশই খাদ্যসহ মৌলিক চাহিদা থেকে বঞ্চিত। মানব উন্নয়ন সূচক ২০১০ অনুযায়ী ৪৯.৬৪% লোকের প্রতিদিনের আয় ১.২৫ ইউএস ডলারের নিচে।

আমত্মর্জাতিক দাতাসংস্থার বিপুল অনুদান এবং এনজিওদের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বাংলাদেশের শিশু অপুষ্টির হার বিশ্বে সবোর্চ্চ, যা সাব-সাহারা ও আফ্রিকার দেশগুলোর প্রায় দ্বিগুণ। এর ফলে বাংলাদেশকে চরম মূল্য দিতে হচ্ছে। অপুষ্ট শিশুরা স্বল্প মেধাসম্পন্ন হয় এবং তারা নানামূখী স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগে যা দেশের উন্নতির পথে বড় অন্তরায়।

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বাংলাদেশের নারীরা অপুষ্টি শিকার এবং তারা নিরাপত্তা ও ক্ষমতার বলয়ের বাইরে বসবাস করে। প্রচলিত প্রবাদ ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গীর কারণে নারীরা আত্মনির্ভরশীল ও নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারছে না। নারীর এই অধস্থ:নতা যৌতুক, বাল্য বিবাহসহ নারীর প্রতি সহিংসতার জন্ম দিচ্ছে। প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী নারীরা সাধারণত: পরিবারে সবার শেষে খাবার খায় এবং এমনকি যা অবশিষ্ট থাকে তা খেয়ে জীবন ধারণ করে। এমনকি অন্তঃস্বত্তা নারীরাও এর ব্যতিক্রম নয়। গবেষণায় দেখা গেছে, নারীর প্রতি বঞ্চনার প্রতক্ষ্য প্রভাবই বাংলাদেশে উচ্চ অপুষ্টির কারণ। দারিদ্র্য দূরীকরণের লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ গ্রহণ সত্ত্বেও জেন্ডার অসমতা, সুযোগের বঞ্চনা,ধনী-দরিদ্র্য ব্যবধান ক্রমশ প্রকট আকার ধারণ করছে। এছাড়াও ঘনবসতিপূর্ণ জনসংখ্যা, বেকারত্ব, দুর্নীতি, দুর্বল ও অকার্যকর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান  অবস্থাকে আরো অবনতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে।     

বাংলাদেশ জন্মলগ্ন থেকে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক ত্রাণ ও সহযোগিতা পেয়ে আসছে। কিন্তু অধিকাংশ প্রকল্পই স্থানীয় চাহিদা মেটাতে সক্ষম হয়নি এবং এমনকি এসব উন্নয়ন প্রকল্প টেকসই হয়নি। এসকল প্রকল্প প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণ ছিলো খুবই নগণ্য। স্থানীয় সম্পদ ও স্থানীয় জনগণের সক্ষমতাকে উন্নয়নের ধারায় সংযুক্ত করা হয়নি। উন্নয়নের এই অভিজ্ঞতা থেকে এটা ক্রমেই প্রতীয়মান হয়ে উঠছে যে, টপ-ডাউন, সাহায্য/দাতা নির্ভর এবং সেবা প্রদান পন্থায় ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূরীকরণ সম্ভব নয়। বরং প্রচলিত সহায়তা নির্ভর উন্নয়ন ধারা জনগণের মাঝে পরনির্ভর মানসিকতা, হতাশা সৃষ্টি করেছে, যা টপ-ডাউন এপ্রোচ, দুর্নীতিগ্রস্থ উন্নয়ন ধারাকে টিকিয়ে রাখছে এবং শক্তিশালী করেছে। যা আমাদের দেশের অনেক সমস্যার মুল কারণ।

দারিদ্র্য দূরীকরণে প্রথাগত উন্নয়ন ধারণার ব্যার্থতার প্রেক্ষাপটে, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট গণকেন্দ্রিক উন্নয়ন ধারাকে সামনে নিয়ে আসে। এই সংস্থা বিশ্বাস করে যে, টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন জনগণের মালিকানা ও তাদের নিয়ন্ত্রনাধীন প্রতিষ্ঠান। এই জন্য আরো প্রয়োজন যে, প্রত্যেকেই তার নিজ ভাগ্য গড়ার কারিগর - এই সত্যটিকে মেনে নেওয়া। এ উপলব্ধি থেকেই দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশে ১৯৯১ সাল থেকে তার কার্যক্রম শুরু করে। এই সংস্থা আত্মনির্ভরশীল ভবিষ্যত গড়ার লক্ষ্যে তৃণমূলের জনগণকে সংগঠিত ও ক্ষমতায়িত করার জন্য  কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ কার্য়ক্রমের কেন্দ্রবিন্দু হলো নারীকে সবোর্চ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে স্থানীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা। কারণ প্রথাগতভাবে নারীরাই স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পুষ্টিসহ প্রাথমিক দায়িত্বগুলো পালন করে থাকে - কিন্তু দেশের আইন ও সংস্কৃতি তাদের স্বীকৃতি ও স্বাধীনতা প্রদান করে না। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট এই অবস্থার পরিবর্তনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গঠনের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য জনগণকে ক্ষমতায়িত, উদ্বুদ্ধ ও সংগঠিত করার ব্রত নিয়ে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট কাজ করছে। জনগণকে পরিকল্পনা গ্রহণ ও  বাসত্মবায়নে এই সংস্থা অনুঘটকের ভূমিকা পালনসহ সরকার ও অন্যান্য বেসরকারী সংগঠনসমূহের সাথে কাজের ক্ষেত্রে সমন্বয় সাধন করে থাকে।   ২০৩০  সালের মধ্যে সরকারের এস ডি জি লক্ষ্য অর্জনে উন্নয়ন কর্মকান্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সম্প্রতি আমরা তৃর্ণমূল জনসাধারণ, নারী, ছাত্রছাত্রী, ও স্থানীয় নির্বচিত প্রতিনিধিদের সংগঠিত ও ক্ষমতায়িত করার মাধ্যমে কিছুসংখ্যক ইউনিয়নকে এসডিজি ইউনিয়ন গঠনের প্রচেষ্টা চলছে।

2.  লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
লক্ষ্য:
১. তৃণমূলের জনগণকে ক্ষমতায়িত ও সংগঠিতকরণ
ক. তৃণমূলে সামাজিক পুঁজি গড়ে তেলা এবং নির্ভরশীলতার মানসিকতায় পরিবর্তন আনা
খ. প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি উন্নতকরণ
গ. কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে কমিউনিটির মানুষের সামর্থ্য বৃদ্ধিকরণ
ঘ. তৃণমূলে মানুষের জন্য শিক্ষা ও তথ্যের প্রাধিকার নিশ্চিতকরণ
ঙ. সমষ্টিগতভাবে নিজেদের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে সামাজিক ঐক্য বৃদ্ধি এবং কমিউনিটির মানুষকে ক্ষমতায়িত করা
চ. তৃণমূলে খাদ্য এবং জলবায়ু নিরাপত্তা বৃদ্ধি।
২. নারী ও কন্যাশিশুদের ক্ষমতায়িত করা
ক. নারী নেতৃত্ব বিকাশের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতকরণ
খ. নারীদের জন্য আয় বৃদ্ধিমূলক কাজের সুযোগ তৈরি
গ. নারী ও কন্যাশিশুদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা
ঘ. সরকারি সেবায় অভিগম্যতা বৃদ্ধি
ঙ. নারী ও মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়ন
চ. সর্বস্তরে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি
৩. স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ
ক. কার্যকরভাবে পরিষদ পরিচালনার লক্ষ্যে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সামর্থ্য বৃদ্ধি
খ. স্থানীয় সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ
গ. সরকারি সেবার গুণগত মান উন্নতকরণ
৪. অ্যাডভোকেসি/সামাজিক জোট
ক. বিকেন্দ্রিকরণ ও ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য আন্দোলন জোরদার করা
খ. সুশাসনে জন্য নীতি-নির্ধারকদের প্রভাবিত করার লক্ষ্যে সিভিল সোসাইটি নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ
গ. জেন্ডার সমতা ও শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ার জন্য সামাজিক জোট গড়ে তোলা।
উদ্দেশ্য
আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের লক্ষ্যে একদল স্বেচ্ছাব্রতী তৈরি করা, পরিবর্তনের অন্যতম রূপকার হিসেবে তৃণমূলের নারীদের মধ্যে নেতৃত্ব বিকাশ, স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে কার্যকর ও শক্তিশালীকরণ এবং বিদ্যমান বৈষম্য দূরীকরণ ও রাষ্ট্রীয় সম্পদে সাধারণ জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে নিরবিচ্ছিন্নভাবে অ্যাডভোকেসি করা এবং সামাজিক জোট গড়ে তোলা।
এসডিজি ইউনিয়ন গড়ে তোলা
২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৯৩টি দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধানেরা ট্রান্সফরমিং আওয়ার ওয়ার্ল্ড: দ্যা ২০৩০ এজেন্ডা ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট শিরোনামের একটি কর্মসূচি অনুমোদন করে, যা সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস (এসডিজি) নামে পরিচিত। বিশ্বমানবতার সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে এটি একটি কর্মপরিকল্পনা, যা বিশ্বব্যাপী শান্তি, সমৃদ্ধি ও কার্যকর অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠিত করবে। বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রত্যাশা, ২০৩০ এজেন্ডা তথা এসডিজি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পাবে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ এবং অর্জিত হবে পরিবেশের ভারসাম্য।
দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এসডিজি ইউনিয় গড়ার লক্ষ্যে সরকার, জনগণ ও স্থানীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি মিলে ত্রি-পক্ষীয় পার্টনারশিপ বা অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের অংশগ্রহণে বিশেষ উজ্জীবক প্রশিক্ষণ, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে প্রতিশ্রতিবদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক সৃষ্টির জন্য উজ্জীবক প্রশিক্ষণ, নারীর ক্ষমতায়ন ও নেতৃত্বের বিকাশ ঘটাতে নারী নেতৃত্ব বিকাশ শীর্ষক ফাউন্ডেশন প্রশিক্ষণ এবং সমাজের প্রতি তরুণদের দায়বদ্ধতার মানসিকতা সৃষ্টিতে ইয়ূথ লিডারশিপ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো-ইউনিয়ন পরিষদের নেতৃত্বে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে, বিশেষত দরিদ্র-অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীকে উদ্বুদ্ধ ও সংগঠিত করে এমডিজির লক্ষ্যগুলো অর্জন করা। স্বেচ্ছাব্রতী উজ্জীবক, নারীনেত্রী ও ছাত্র-ছাত্রীরা জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে অনুঘটকের ভূমিকা পালন করছে।
দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর পক্ষ থেকে জনঅংশগ্রহণে ওয়ার্ডসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট অধিবেশন আয়োজনে সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের কাজের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করার জন্য জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় নাগরিকদের সম্মিলনে স্থায়ী কমিটিগুলো কাজ করছে। পরিষদ এবং উজ্জীবকদের প্রচেষ্টায় ছাত্র-ছাত্রীদের বিদ্যালয়মুখী করা এবং বয়স্ক শিক্ষাকেন্দ পরিচালনা করা হচ্ছে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, যৌতুকমুক্ত বিবাহ সম্পন্ন এবং বিবাহ নিবন্ধন এ পরিষদের সাথে উজ্জীবকরা নিবেদিতভাবে কাজ করছে। বিভিন্ন ইউনিয়নে উজ্জীবকদের অনুপ্রেরণায় স্বল্পবিত্তের জনগণকে নিয়ে সারাদেশে দুই হাজারের অধিক স্থানীয় সংগঠন গড়ে উঠেছে, যার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার সঞ্চয় সৃষ্টি হয়েছে।
দি হাঙ্গার প্রজেক্ট মনে করে, এসডিজির লক্ষ্য ও টার্গেটের অবিভাজ্যতা, পারস্পরিক সম্পৃক্ততা ও সংযুক্ততার গুরুত্ব সুদূরপ্রসারী ও তাৎপর্যপূর্ণ, বিশেষত এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে। অর্থাৎ, এগুলো আংশিক বা বিচ্ছিন্নভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। শুধু শিক্ষা, স্বাস্থ্য প্রভৃতির ওপর প্রকল্প বাস্তবায়ন করে ২০৩০ এজেন্ডা অর্জন করা যাবে না, এর জন্য আরও প্রয়োজন হবে শান্তি প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্র গঠন, মানবাধিকার বাস্তবায়ন ও সুশাসন কায়েম করার মতো ইস্যুগুলোর প্রতি মনোনিবেশ। এর জন্য অবশ্য প্রয়োজন একধরনের হলিস্টিক, ঊর্ধ্বমুখী ও সুসংহত কমিউনিটি-লেড ডেভেলপমেন্ট অ্যাপ্রোচ, যার উদ্দেশ্য হবে পুরো সমাজের পরিবর্তন, এর অনুন্নয়নের আংশিক প্রতিকার নয়। এর জন্য প্রয়োজন হবে সমাজে নারী, পুরুষ ও তরুণদের তাঁদের জীবনের হাল ধরার সুযোগ সৃষ্টি করা। এই প্রক্রিয়ার জন্য আরও প্রয়োজন হবে নাগরিকদের পরিবর্তনের রূপকার হিসেবে সক্রিয়করণ; তৃণমূল সংগঠনের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের কণ্ঠকে উচ্চকিত করার সুযোগ প্রদান; গতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি সৃষ্টি এবং অনুঘটকের ভূমিকা পালনকারী একটি কার্যকর ও দায়বদ্ধ স্থানীয় সরকারব্যবস্থা।