সংস্থার সংক্ষিপ্ত বর্ননা:-

 বাংলাদেশ রুরাল ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি(বিআরডিএস)  এর  প্রতিষ্টাতা মো:রিয়াজুল ইসলাম পিন্টু শৈশব কাল থেকেই ছিলেন একজন সাংস্কৃতিক মনা মানুষ। তিনি কিশোরগঞ্জ সরকারী জেলা স্কুলে পড়া শুনার পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমীর সংগীত বিদ্যালয়ের গীটার সংগীতে অধ্যয়ন করেন ।স্কুল পাশ করার পর গুরুদয়াল সরকারী কলেজে ভর্তি হন ১৯৮২ সালে , পাশপাশি সাংবাদিকতা  শুরু করেন  ও ‘বর্নালী’ নামে স্থানীয় সাহিত্য পত্রিকা গড়ে তোলেন কিছু সাহিত্য প্রেমী -বন্ধুবান্ধব ও জেলা প্রশাসন, স্কুল -কলেজ ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কিশোরগঞ্জের  গনমান্য ব্যাক্তি ও কিছু স্বনামধন্য লেখকদের সহযোগীতায় ।
তিনি ১৯৮৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স এ ভর্তি হয়ে সেখান থেকে অনাস সহ এমএ পাশ করেন ।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি শহীদ সামসুজ্জোহা হল ছাত্র সংসদে ১৯৮৯ সালে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নির্বাচিত হন ।
বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করার পর ব্র্যাক এর ক্যাডার সার্ভিসে যোগদান করেন ১৯৯৩ সালে ।আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক হিসাবে  সিলেট ও সুনামগঞ্জ,নেত্রকোনা জেলার ব্র্যাকের মাইক্রোফাইনান্স সহ সকল কর্মসুচি এর দায়িত্ব পালন করেন ও ৮ বৎসর সিলেটে চাকুরীর সুবাদে ব্র্যাকের প্রতিষ্টাতা ও চেয়ারম্যান  স্যার ফজলে হাসান আবেদের সান্নিধ্যে আসেন ও তার দৃষ্টিকে অনুসরন করে ১ টি এনজিও করার সপ্নদেখেন ও ২০০০ সালে ২১শে মার্চ ব্র্যাকের চাকুরীতে থাকা অবস্থায় কিশোরগঞ্জে বাংলাদেশ রুরাল ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (বিআরডিএস) প্রতিষ্টা করেন।পরবর্তীতে ব্র্যাকের আড়ং এগ্রো প্রোডাক্ট মার্কেটিং বাংলাদেশ এর  ম্যানেজার এর দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ঢাকার মীরপুরে প্রাইম বিশ্ববিধ্যালয় হতে আইনে ডিগ্রী অর্জন করেন।
এ ছাড়া ব্র্যাকে এ ১৭ বৎসর চাকুরীতে আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক , বিভাগীয় প্রধান ও ব্র্যাক  প্রধান কাযয়ালয়ে বিভিন্ন গুরুত্ব দায়িত্ব পালন করেন ও তিনি ১০২ টি ডেভেলপমেন্ট  প্রশিক্ষন সহ ব্র্যাকে এর সহযোগীতায় শোর ব্যাংক(টঝঅ) এর উচ্চতর ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষন পান ।
২. সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
-    পরিবার গঠন,দারিদ্র অবসান,আত্ম-কর্মসংস্থান ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন গঠনে, উন্নয়মূলক কর্মকান্ড গ্রহণে নিবেদিত- অলাভজনক, অরাজনৈতিক, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে নারী-পুরুষ সকলের সম অধিকার প্রতিষ্ঠায় মানবহিতৈষী সমাজকল্যাণ মূলক সংস্থা।
  -  দেশী-বিদেশী, সরকারী-বেসরকারী  সংস্থা সহ সবার সাথে সহযোগিতার মাধ্যমে উন্নয়ন নিশ্চিত করণ।
-    আত্মশক্তি বিকাশের মাধ্যমে মানুষকে ক্ষমতায়িত করা এবং পরিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি, উদ্বুদ্ধ ও সংগঠিতকরণ।
-    উন্নয়নমূলক বিষয়ে কর্মশালা, সেমিনার, সিম্পেজিয়াম, প্রশিক্ষণ অংশগ্রহণে ও আয়োজন।
-    মাদকদ্রব্য, কুসংস্কার, বাল্য বিবাহ, বহু বিবাহ, নারী নির্যাতন ইত্যাদির বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা ও প্রতিরোধ কর্মসূচী গ্রহণ এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা।
-    গবেষনা।
-    শিক্ষা।
-    স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা।
-    পরিবেশ।
-    গৃহায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়ন।
-    দুর্যোগ মোকাবেলা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম।
-    দল/সংগঠন গঠন ও সঞ্চয় সৃষ্টি।
-    মহিলাদের ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন।
-    আইন সহায়তা প্রদান।
-    আয় বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচী গ্রহণ।
-    সমমনা উন্নয়নকামী সংগঠনগুলির দল গঠন।